Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সরকারি বেতন দিতে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার
সরকারি বেতন দিতে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার

সাধারণত সরকারের স্বল্পমেয়াদি অর্থের প্রয়োজন মেটাতে ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিল ইস্যু করা হয়। তবে এবার বেতন পরিশোধের বাড়তি চাপ সামলাতে বিশেষ এই বিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অক্টোবর মাসে ২৭ তারিখ পর্যন্ত ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে সরকার ৫৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। আজ আরও ৫ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হলে মাসটিতে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে সরকার ব্যাংক খাত থেকে ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। আগস্টে এই পরিমাণ ছিলো ৫০ হাজার কোটি এবং সেপ্টেম্বরে ৪১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এদিকে সরকারের ঋণের চাহিদা বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদহারও বেড়েছে। ৯১ দিন মেয়াদি বিলের সুদহার ৫ অক্টোবরের ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৬ অক্টোবর ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অথচ আগস্ট শেষে ব্যাংক খাতে উদ্বৃত্ত তারল্য ছিলো ৪ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী না বাড়ায় সরকারকে ক্রমাগত ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সাবেক অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী মনে করেন, বেতন-ভাতা দিতে বিশেষ ট্রেজারি বিল ইস্যু সরকারের আর্থিক সক্ষমতার জন্য উদ্বেগজনক। তার আশঙ্কা, এভাবে ঋণ বাড়তে থাকলে বেসরকারি খাত আরও সংকুচিত হতে পারে। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, রাজস্ব ঘাটতির কারণে সরকারকে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে। মেয়াদ শেষ হওয়া ঋণের বড় অংশও নতুন ঋণের মাধ্যমে পরিশোধ বা পুনর্বিন্যাস করতে হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছরে এই খাত থেকে সরকারের ঋণ ছিলো ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা। /শান্ত/

তরুণ উদ্যোক্তারা ব্যবসার জন্য পাবেন ২০ লাখ টাকা ঋণ, যেভাবে আবেদন করবেন
তরুণ উদ্যোক্তারা ব্যবসার জন্য পাবেন ২০ লাখ টাকা ঋণ, যেভাবে আবেদন করবেন

বাংলাদেশের ৫৬টি জেলার সব উপজেলায় আগামী ১ নভেম্বর থেকে এ অর্থায়নের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হবে, যা চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। শনিাবর দেয়া এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের চিহ্নিত করে নতুন ব্যবসা শুরু কিংবা বিদ্যমান ব্যবসার সম্প্রসারণে সহায়তা দেওয়া হবে। অর্থায়নের ধরন ও শর্তাবলি বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ কর্মসূচির আওতায় একজন উদ্যোক্তা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অনুদান হিসেবে পেতে পারেন। বয়সসীমা: আবেদনকারীর বয়স সর্বোচ্চ ২৮ বছর হতে হবে। স্থায়ী বাসস্থান: যে উপজেলার জন্য আবেদন করা হবে, আবেদনকারীকে অবশ্যই সেই উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা: নতুন ব্যবসায়িক পরিকল্পনা বা উদ্ভাবনী চিন্তা থাকলেই আবেদন করা যাবে। আগে থেকে ব্যবসা থাকার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যারা আবেদন করতে পারবেন না: ইতোমধ্যে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসায়িক ঋণ নিয়েছেন, ঋণখেলাপি কিংবা সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত- এমন ব্যক্তিরা এ অর্থায়নের জন্য বিবেচিত হবেন না। প্রথম ধাপে ১৮ হাজারের বেশি আবেদন এর আগে কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আটটি জেলার ৬৪টি উপজেলায় আবেদন গ্রহণ করা হয়। জেলাগুলো হলো- মানিকগঞ্জ, ফেনী, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, ভোলা, হবিগঞ্জ, রংপুর ও নেত্রকোণা। প্রথম পর্যায়ে তরুণদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে। এ সময় মোট ১৮ হাজার ৪৪৪টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৩৫১টি আবেদন জমা পড়েছে নেত্রকোণা জেলায়। আবেদন করবেন যেভাবে আগ্রহী তরুণ উদ্যোক্তাদের আগামী ১ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করে নিজ উপজেলার যে কোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখায় জমা দিতে হবে। আবেদন ফরম সংগ্রহ করা যাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ওয়েবসাইট www.bb.org.bd এবং এসএমই পোর্টাল www.bb.org.bd/smespd_portal থেকে। তরুণ উদ্যোক্তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করে এ অর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় নতুন ব্যবসা শুরু কিংবা বিদ্যমান ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ নিতে পারবেন। - কেআর

আইএমএফের ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী
আইএমএফের ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ব্যাংককে আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। তবে এই কর্মসূচির আওতায় কী ধরনের শর্ত থাকবে এবং সেগুলো কীভাবে পূরণ করা হবে, তা নিয়ে আরও আলোচনা হবে। কিছু বিষয়ে দুই পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো হবে।’ তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত, ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত, ব্যাংকের পুনঃমূলধনীকরণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আইএমএফের পর্যবেক্ষণ রয়েছে। এসব বিষয়ে বাংলাদেশেরও সম্মতি রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে, বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলবে। সংস্কারের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে আইএমএফের প্রশ্ন রয়েছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদেরও কিছু অবজারবেশন আছে। সেই অবজারবেশন আছে। ব্যাংক, ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত নিয়ে ওদের অবজারবেশন আছে। আমরা এসব অবজারবেশন নিয়ে একমত। ইতিমধ্যে অনেকগুলো পূরণও হয়ে গেছে। /শান্ত/

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত সহায়তার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আগামী কয়েক মাস ধরে আলোচনা চলবে। এই বিষয়ে ঢাকাতেও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি, কর্মসূচি এবং মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সংস্থাটির সমঝোতা রয়েছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারের নেওয়া নীতির সঙ্গেও বিশ্বব্যাংক একমত। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতি সংকটের মধ্যে ছিলো। আগের সময়ের বিভিন্ন দায়দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এসব বিষয় বিশ্বব্যাংক অনুধাবন করছে। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারত্বের কাঠামো নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এই বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে লিখিত প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকও বিভিন্ন সুপারিশ ও পরামর্শ দিয়েছে। /শান্ত/