Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সুস্থ হয়ে দায়িত্ব পালন করবো: চুয়েট উপাচার্য
সুস্থ হয়ে দায়িত্ব পালন করবো: চুয়েট উপাচার্য

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম বলেন, পদত্যাগ কিংবা ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে না ফেরার বিষয়ে তিনি কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি দেননি। অসুস্থতার কারণেই ক্যাম্পাস ছেড়েছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, এখনো চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সুস্থ হয়ে আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এদিকে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করার ঘটনার পর থেকে চুয়েট ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বুধবারও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে, উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। চলমান অচলাবস্থা ২৩তম দিনে গড়িয়েছে। সোমবার সকালে প্রশাসনিক ভবন-২-এর তালা ভেঙে কার্যালয়ে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম। এই সময় তার সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছিলেন। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাকে ক্যাম্পাস ছাড়ার আলটিমেটাম দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি না যাওয়ায় উপাচার্যসহ ১২ জন ভবনটিতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। প্রায় ৩০ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় অবরুদ্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহায়তায় তারা মুক্ত হন। পরে অসুস্থ উপাচার্যকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিক্ষার্থীদের দাবি, ক্যাম্পাসে আর প্রবেশ না করার শর্তে উপাচার্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে এই ধরনের শর্তে মুক্ত হওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন তিনি। যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী গোলাম মোর্শেদ রাতুল বলেন, উপাচার্য আবার ক্যাম্পাসে ফেরার কথা বললে শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন। /শান্ত/

চুয়েটে অচলাবস্থার মধ্যে তালা ভেঙে ঢুকলেন উপাচার্য
চুয়েটে অচলাবস্থার মধ্যে তালা ভেঙে ঢুকলেন উপাচার্য

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থার মধ্যে প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে প্রশাসনিক ভবন-২-এর তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি। এই সময় ছাত্রদলপন্থি বর্তমান ও সাবেক আট থেকে দশজন শিক্ষার্থীও তার সঙ্গে ছিলেন। পরে তারা উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১১ ও ১২ অক্টোবর ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় উপাচার্যের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এ জন্য ১০ অক্টোবর বিকেলে তাঁর ঢাকা যাওয়ার কথা জানানো হয়। তাঁর অনুপস্থিতিতে ওই দুই দিনের জন্য যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরাফাত রহমানকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে পূর্বঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী তার ঢাকায় থাকার কথা থাকলেও সোমবার সকালে হঠাৎ চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শেখ শরীফুল আলম। এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণের ৫৬ দিনের মাথায় অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদ থেকে অপসারণ করা হয়। একই দিন শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই প্রশাসনিক ভবনে তালা দেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তারা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন। সাবেক উপাচার্য সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। /শান্ত/