Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে সন্তুষ্ট ইসি
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে সন্তুষ্ট ইসি

তিনি উল্লেখ করেন, সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বিকেল ৪টায় নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়েছে। কোনো কেন্দ্রেই কোনো ভোটার অপেক্ষমাণ ছিলেন না। ভোটের হার প্রসঙ্গে সচিব জানান, দুপুর ২টা পর্যন্ত পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৪৮ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই হার আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ভোট গণনা প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং গণনা শেষ হলে চূড়ান্ত ফলাফল সাংবাদিকদের জানিয়ে দেওয়া হবে। নির্বাচনে কারচুপি বা অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, আমাদের জানামতে এখন পর্যন্ত কোনো জায়গা থেকে কোনো অপ্রীতিকর খবর পাওয়া যায়নি। আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সবার সহযোগিতায় একটি ভালো নির্বাচন সম্পন্ন করেছি এবং সার্বিক বিষয়ে কমিশন সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের ছবিবিহীন পরিচয়পত্রের জটিলতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নজরে আসার সাথে সাথেই প্রিসাইডিং ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে পাঠিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রার্থীর এজেন্টদেরও এই বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে এই সমস্যার সমাধান করা হয়। অন্যদিকে, কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, ১৬ বছর বয়সী তরুণদের নিবন্ধনের পর যে সাময়িক কার্ড দেওয়া হয়, তা নিয়ে তারা কৌতূহলবশত গিয়েছিলো। তবে ভোটার না হওয়ায় তারা ভোট দিতে পারেনি এবং এর সাথে দলীয় পরিচয় বা ভোটের কোনো সম্পর্ক নেই। উপনির্বাচনটি আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ইসির ‘মহাপরীক্ষা’ কি না এবং কমিশন তাতে উত্তীর্ণ হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব রসিকতা করে বলেন, পাস করার দায়িত্ব আমার, আর সেই স্বীকৃতি দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের। নির্বাচন কমিশন সন্তুষ্ট কি না, জানতে চাইলে আখতার আহমেদ বলেন, অবশ্যই সন্তুষ্ট, অবশ্যই সন্তুষ্ট। সন্তুষ্ট না হওয়ার কোনো কারণ আছে কি? একটা ঘটনা বলেন আপনারা। যে প্রশ্ন দুটো করেছেন, আমি তাৎক্ষণিকভাবে উত্তর দিয়েছি। এখান থেকে আমাদের একজন সহকর্মী বলেছেন, আমিও উত্তর দিয়েছি। /এমএএইচ/

৫ নভেম্বরের মধ্যে ভোটার স্থানান্তরের আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ
৫ নভেম্বরের মধ্যে ভোটার স্থানান্তরের আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ

এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম ধাপের ভোট হবে আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি, দ্বিতীয় ধাপের ভোট ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ হবে ২৭ মে। এসব নির্বাচনের তফসিল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা ঘোষণা করবেন। সোমবার এক নির্দেশনায় ইসি দেশের সব উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ অক্টোবর বা এর আগে যাঁদের জন্ম, তাঁদের মধ্যে যাঁরা এই বছরের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভোটার ডেটাবেজে নিবন্ধিত হবেন, তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করে হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। এজন্য ৫ নভেম্বর সারাদেশে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করা যাবে। এসব আবেদন ৫ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা ছিলো আগস্টে। ইসির পরিকল্পনা ছিলো, নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে এবং সেপ্টেম্বরে তফসিল ঘোষণা করা হবে। এই লক্ষ্যে ভোটার তালিকা মুদ্রণের কাজও শুরু করার পরিকল্পনা ছিলো। ভোট পিছিয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে ফের ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম চালু করেছে নির্বাচন কমিশন। /এমএএইচ/