Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সাজেকে হামলার প্রতিবাদে ২ জেলায় অবরোধের ডাক
সাজেকে হামলার প্রতিবাদে ২ জেলায় অবরোধের ডাক

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এই কর্মসূচি ঘোষণা করে। বিবৃতিতে বলা হয়, সাজেকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে ডাকা শান্তিপূর্ণ সড়ক অবরোধে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদ এবং সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির সমর্থনে এই কর্মসূচি পালন করা হবে। বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি উষাতন চাকমা জানান, শনিবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুই জেলায় সড়ক ও নৌপথে অবরোধ চলবে। কর্মসূচি সফল করতে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সংগঠন এবং রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার যানবাহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি। তিনি জানান, অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে অ্যাম্বুল্যান্স ও রোগীবাহী গাড়ি, শববাহী যান, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহন এবং সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়ি। /এমএএইচ/

গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ, সাউন্ড গ্রেনেডে সরলো শ্রমিকরা
গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ, সাউন্ড গ্রেনেডে সরলো শ্রমিকরা

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীপুরের মুলাইদ গ্রামের এমসি বাজার এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। এতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। আন্দোলনরত শ্রমিক তরিকুল, মাহফুজ ও হাসমত আলী জানান, গত ১০ অক্টোবরের আন্দোলনের পর কারখানা কর্তৃপক্ষ ১৩ অক্টোবর সেপ্টেম্বর মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বেতন না পাওয়ায় তারা আবারও আন্দোলনে নামেন। বুধবারও বেতন পরিশোধ না করে কর্তৃপক্ষ টালবাহানা করেছে বলে অভিযোগ তাদের। এদিকে বৃহস্পতিবার কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। শ্রমিকেরা সকাল সাড়ে ৮টা থেকে মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মহাসড়ক ছেড়ে দেওয়ার এবং বেতন পরিশোধের বিষয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেয়। শ্রমিকেরা তাতে সাড়া না দেওয়ায় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাদের সরিয়ে দেয়। গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, শ্রমিকেরা সেপ্টেম্বর মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। তাদের মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তারা অবরোধ চালিয়ে যান। পরে সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বেতনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কারখানা থেকে মেশিনপত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে শ্রমিকদের অভিযোগ সঠিক নয় বলেও দাবি করেন তিনি। /শান্ত/